আজ আমার এক বন্ধুর বাড়িতে দাওয়াত ছিলো। আম্মার নামাজ পড়ে রওনা হবার জন্য রেডি হচ্ছিলাম। আমার মেয়ে আমাকে বললো বাবা, তুমি কি বাইরে যাবা এখন। আমি বললাম হ্যা বাবা, তোমার এক আংকেলের বাসায় দাওয়াত সেখানে যাবো।
রান্না ঘরে থেকে অরনী বললো, দাওয়াত না, নষ্টামী করতে যাচ্ছে। আমি কোনো উত্তর না দিয়ে শুধু বললাম নাউজুবিল্লাহ।
বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে অরনী আমাকে যে মেসেজ দিলো তা উপস্থাপন করছি।
আমি রাতে বাসায় এসে ওকে আর কিছু বলিনি বা কিছু জানতে চাইনি। কারন আমার ঘৃনা করছিলো ওপর সাথে কথা বলতে। যে আমি বা আমরা বন্ধুর স্বপ্নেও এমন নিকৃষ্টতর ভাবনা কখনো ভাবী না। আর সবার এখন ৪০-৪৫ বছর বয়স। সবার পরিবার পরিজন সন্তান সন্তানাদী আছে। অথাৎ পরিবারের বাইরে শুধু একটুআড্ডা গল্প ছাড়া আর ভাবারও সুযোগ নাই।
আর অরনী সবই জানে যে আমাদের বন্ধুদের মধ্যে সম্পর্ক কেমন। আমার সাথে বন্ধুদের প্রগ্রামে গিয়েছে। আর আমি কোনো কিছু ওর কাছে লুকাই না। তবু অরনী জেনেবুঝে যে নোংরা কথা বললো তা আমাকে চরম ভাবে অেমান করা।
যাইহোক আমি কোন কথা না বলে, চুপচাপ রইলাম স্বাভাবিক ভাবেই। সাড়ে ১১টার সময় মেয়ে বলছে বাবা চলো ঘুমাই। আমি বললাম বাবা তুমি শুয়ে পরে আসছি। পাঁচের রুমে এসে খবর শুনতে শুনতে ১২.৩০ বেজে গেছে।
আমি ঘড়ি দেখে ওযু করে এসে দরজা চাপিয়ে দিয়ে চার রাকাত নামাজ আদায় করে আল্লার কাছে হাত তুলে বসে আছি। আমি প্রাই এটা করি মাঝরাতে। হঠাত শব্দ করে দরজা লাগানোর আওয়াজ পেলাম। আমি মোনাজাত শেষ করে উঠে দেখি দরজা লাগিয়ে দিয়েছে। আর মেসেজে যা লিখেছে তার তুলে ধরার মতো না। আমি যে উত্তর দিয়েছি শুধু তাই উল্লেখ করছি।
৫ই আগস্ট ২০২৪ এর পর থেকে আমার যে কি করুন পরিস্থিতি সেটা বোঝানো কঠিন। চাকরি নাই, ঘরে টাকা নাই। আমি কুত্তার মতো ছুটছি কাজের সন্ধানে। যে যখন যেদিকে ডাকে সেদিকে দৌড়াই। আর সারাদিন শেষে ঘরে আসলে নানা ফালতু অযৌক্তিক কথা বলে বলে অশান্তি সৃষ্টি। ইদানিং মেয়েটাকে নানা রকম কিছু শিক্ষা দিচ্ছে। মেয়ের ব্যবহারে আনি পাথর হয়ে যাই আরও ভাবী, কাদের জন্য রক্ত পানি করে জীবন ক্ষয় করছি।




No comments:
Post a Comment