আমার মেয়েটা চিংড়ি মাছের বড়া খেতে পছন্দ করে মেয়ের মাও যথেষ্ট পছন্দ করে। বেশকিছুদিন ধরে মেয়েটি বায়না ধরলো, খাওয়ার জন্য।
সেদিনের পর থেকে আমি অর্নির সাথে কথা বলিনা। মেয়ে চিংড়ির বড়া খেতে চাইলো, মেয়ের মা বললো তোমার বাপরে বলো ঘুষাচিংড়ী কিনে আনতে। আমি মেয়েকে বললাম বাবা সবসময় পাওয়া যায় না। যদি পাই নিয়ে আসবো। আজ বাড়িতে ফেরার পথে দেখলাম মাঝপথে দেখলাম ভ্যানে করে ঘুস চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে। তাড়াতাড়ি অটো থেকে নেমে ১কেজি চিংড়ি কিনলাম। এগুলো সব সময় পাওয়া যায় না। তাই দেরী না করে কিনে ফেললাম।
এর আগে গরুর ভুড়ি খেতে চেয়েছিলো। এনে দিতে পারিনি, এজন্য অনেক গালিগালাজ শুনেছি। যে কয়দিন ভূড়ি আনতে পারিনি সেই কয়দিন।
তাই চিংড়ি মাছ কিনতে দেরী করলাম না। কিন্তু হিতে বিপরীত। মাছ দেখে অর্নি খুশি হলো। কিছুক্ষন পরে যখন বাছতে বসলো তখন, বাছতে কষ্ট হচ্ছে আর গালিগালাজ করছে। আমি ওপর কষ্ট দেখে কিছু মাছ ধুয়ে বেছে দেয়ার চেষ্টা করলাম। তারপর শুরু হলো আরো বিশ্রি গালিগালাজ। এটাও বললো আমাকে বিষ খাইয়ে মেরে ফেলবে। আমার সাথে বিয়ে না হয়ে......
এবং বান্ধবীদের পোনা করে বলতে লাগলো আমি নাকি ঘুষ চিংড়ী জালিতে ডলেছি।
থেঁতলে গেজা গেজা করে ফেলেছি আরো কতো কি।
আমি পাশের রুমে নিজের অজান্তে কষ্টে আমি পাথর হয়ে গেলাম।
No comments:
Post a Comment